সর্বশেষ সংবাদ
মেসার্স আকাশী এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড হালুয়াঘাট সড়কে অবস্থিত ২০১৫ সালের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান গত এক যুুগধরে শত শতকোটি টাকার মালিক।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালেদ বাবুর বদৌলতে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।ফ্যাসিস্ট আনিস খাদ্য বিভাগে এখনো বহাল তবিয়তে দাবরিয়ে ব্যবসা করছে। ডিসি ফুড /আর সি ফুড তাদের লাইসেন্স বাতিল এ কোন কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অবৈধ পথে পুষ্টি লাইসেন্স করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং সেই সময়ে অন্য কদেরকেও লাইসেন্স করতে দেয়নি।
সাবেক প্রতিমন্ত্রীর কে এম খালেদ বাবু হাজার হাজার কোটি টাকা অবৈধ পথে উপার্জন করেছে বিলাস বহুল বাড়ি গাড়ির মালিক হয়েছেন,এমনকি দলীয় কোন্দলে নিজেকে জড়িয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিক হত্যা কান্ডের সাথে নিজেকে জড়ান ,সমান্য পুষ্টি ব্যবসার লোভ সামলাতে পারিনি,ক্ষমতার তাণ্ডব দেখিয়ে কাউকেই আর পুষ্টি লাইসেন্স করতে দেয়নি,জনস্রোতি আছে আনিস ও এই প্রতিমন্ত্রী পুষ্টি লাইসেন্স দিয়ে শত শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
এসব জেনেও খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন টনক লড়েনী। অন্তবর্তী কালীন সরকার এর এক শ্রেনীর দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের যুগ সাজুসে সেই আনিসুর রহমান পুষ্টি লাইসেন্স দাপটের সাথে ব্যবসা করছেন একই ব্যক্তির ময়মনসিংহ সদরের দুইটি পুষ্টি লাইসেন্স কিভাবে পেলেন এটি এখন জন জিজ্ঞাসা? তিনি একটি অটো রাইস মিলের ম্যানেজার থেকে এখন পাঁচ শত কোটি টাকার উপরে মালিক হয়েছেন,গোয়েন্দা বিভাগ এর সাথে এবং খাদ্য বিভাগের সাথে হঠাৎ করে পরিবহনসহ ভিন্ন সংস্থার সাথে লিয়াজু করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন,সে আওয়ামী লীগের ধূসর। এখন সময়ের সাথে তালমিলিয়ে বিএনপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে একচেটিয়া জমজমাট ব্যবসা করছেন।খাদ্য মন্ত্রণালয় তার পুষ্টির লাইসেন্স বাতিলের কোন প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করছেনা।
তার সাথে জড়িয়ে আছে খাদ্য বিভাগের কিছু অসাধু চিহ্নিত কর্মকর্তা।তাদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা না নেওয়া হলে,খাদ্য বিভাগ ব্যবসায়ী ও জনমানুষের কাছে প্রশ্ন বিদ্ধ হচ্ছে।এই খাদ্য বিভাগে গোয়েন্দা নজরদারি চালালে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।উল্লেখ্য যে সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগে তথ্য থাকলেও তার কোন কার্যকারি ব্যবস্থা নিচ্ছেন না, তার রহস্য কি?